সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৬
রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৬
শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৬
সাপ খেলা
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঝাপান খেলা। শনিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার বিএলকে স্কুল প্রাঙ্গণে এ খেলার আয়োজন করে এলাকাবাসী।
বিষধর সাপ নিয়ে খেলা দেখতে স্কুল প্রাঙ্গণে ভীড় করেছিল শত শত মানুষ। আর দর্শকদের হাততালি আর উল্লাসে খেলা দেখাতে ব্যস্ত সাপুড়েরা।
কালের বিবর্তণে হারিয়ে যাওয়া ঝাপান খেলা আবারো ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছে শৈলকুপা উপজেলার বিএলকে এলাকাবাসী।
শনিবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত বিএলকে মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এ খেলা।
বাদ্যের তালে তালে ঝুড়ি থেকে বেড়িয়ে আসে ভয়ংকর গোখরা সাপ। উপসি’ত শত শত দর্শকের করতালি একটুও বিচলিত করতে পারে না ফণা তুলে এই নাচিয়েকে।
বাদ্যের তালে তালে ঝুড়ি থেকে বেড়িয়ে আসে ভয়ংকর গোখরা সাপ। উপসি’ত শত শত দর্শকের করতালি একটুও বিচলিত করতে পারে না ফণা তুলে এই নাচিয়েকে।
মনিবের ইশারা ইঙ্গিত তাকে ঠিক বুঝিয়ে দিয়েছে, শুধু মানুষকে আনন্দ দেয়ার খেলা নয় বরং আজ মর্যাদার লড়াই।
ঐতিহ্যবাহী এই সাপ খেলা দেখতে ভিড় করেন হাজারো দর্শক। বাদ পড়েনী মহিলা দর্শকরাও। ঢাক আর ডোলের বাদন আর নাছ গানে সাপুড়েরা দর্শকদের মন ভরিয়ে তোলেন।
ঐতিহ্যবাহী এই সাপ খেলা দেখতে ভিড় করেন হাজারো দর্শক। বাদ পড়েনী মহিলা দর্শকরাও। ঢাক আর ডোলের বাদন আর নাছ গানে সাপুড়েরা দর্শকদের মন ভরিয়ে তোলেন।
৭ টি সাপুড়ে দলের শতাধিক সাপের মধ্যে নিজেকে সেরা প্রমাণ করতে প্রতিটি সাপ প্রদর্শন করে নিজেদের আকর্ষণীয় কসরত।
আর এই দুর্লভ দৃশ্য দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা। অনেকে জীবনে প্রথম আবার অনেকে অনেক দিন পর দেখছেন এ খেলা। এই ‘ঝাপান খেলা’ দেখে খুবই আনন্দিত হয় দর্শক।
শৈলকুপার অংশগ্রহণকারী সাপুড়ে লিটন জানান, এটা আমাদের বাপ দাদার পৈত্রিক পেশা। আমার আগে আমার বাবা তার আগে তার বাবা সকলেই সাপ খেলা দেখিয়ে জীবন ধারন করতেন।
আমরা বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সাপ নিয়ে ঘুরে বেড়াই। এ ধরনের আয়োজন হলে এলাকার সাপুড়েদের মিলন মেলায় অনেক ভাব বিনিময় ও বিভিন্ন প্রজাতির সাপের খোঁজ খবর পাওয়া যায় বলে জানান বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাপুড়েরা।
এ ব্যাপারে আয়োজক সাবেক যুগ্ম-সচিব মীর সাহাব উদ্দিন বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এই খেলার আয়োজন।
কালের বিবর্তনে লোকাচারের অনেক কিছুই এখন হারিয়ে গেছে। কিন’ু ঝাপাং গানের কোনো হেরফের হয়নি। সেই মধ্যযুগ হয়ে একবিংশ শতাব্দীর মানুষের কাছে এখনো সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে এই ঝাপাং সাপের খেলা।
যশোরে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য রাহাজ্জান সরদারকে (৪০) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় গদখালি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
রাহাজ্জান সরদার উপজেলার মঠবাড়ি-গদখালি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন বলে জানা গেছে।
যশোর আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল্লা আল মামুন তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে গদখালী বাজারের একটি সেলুনে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (ইউপি) সদস্য রাহাজ্জান। এ সময় হেলমেট পরিহিত ২ জন মোটরসাইকেলে করে এসে তাকে লক্ষ্য করে ২ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাহাজ্জানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, এর আগে ৫ জুলাই বাড়িতে গিয়ে রাহাজ্জানের বড় ভাই হাসান সরদারকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৬
যশোরে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী বাজারে গতকাল সকালে প্রকাশ্যে রাহাজ্জান সরদার (৩৮) নামে এক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। নিহত রাহাজ্জান সরদার গদখালী ফুলচাষি ও ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাহাজ্জানের বড় ভাই হাসান সরদারকেও ৫ জুলাই নিজ বাড়িতে গুলি করে হত্যা করেছিল সন্ত্রাসীরা।
নিহত রাহাজ্জানের ছোটভাই মিজানুর রহমান সরদার জানান, তার ভাই গদখালী ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বর)। সকাল সোয়া ৯টার দিকে গদখালী বাজারের একটি সেলুনে সেভ করছিলেন তার ভাই। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে আসা ছয়জনের মধ্যে দুজন সেলুনে ঢুকে রাহাজ্জানকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পরে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন রাহাজ্জানকে উদ্ধার করে ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই রাহাজ্জানের মৃত্যু হয়েছে। ঝিকরগাছা থানার ওসি মাসুদ করিম বলেন, কী কারণে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তদন্ত ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। মিজানুর রহমান সরদার জানান, তার আরেক ভাই হাসান সরদার হত্যা মামলাটি দেখভাল করতেন রাহাজ্জান। ওই মামলার আসামিরাই তাকে হত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম বলেন, কী কারণে কারা কয়েক মাসের ব্যবধানে দুই ভাইকে হত্যা করলো তা তিনি ধারণা করতে পারছেন না।
সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬
দেশে ফিরেছেন ৭০ হাজারেরও বেশি হাজি
পবিত্র হজ পালন শেষে হাজিরা দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। শনিবার পর্যন্ত ৭০ হাজারেরও বেশি হাজি পবিত্র হজ শেষে দেশে ফিরেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্সের মোট ২শ’টি ফ্লাইটে তারা দেশে ফিরে এসেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রকাশিত হজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল বুলেটিনে এ তথ্য জানা গেছে
এশোব ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ১৪৪টি এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের ১৫৫টি। ফেরত আসা মোট ৭০হাজার ৩৪৮ জন বাংলাদেশি হাজির মদ মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার ৫ হাজার ২৪ জন হাজি রয়েছেন। উল্লেখ্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হয়। যা আগামী ১৭ অক্টোবর শেষ হবে। উল্লেখ্য চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১লাখ ১হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি হজ পালন করেন।
চলতি হজ মওসুমে সৌদি আরবে বাংলাদেশের সর্বমোট ৮১জন হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মধ্যে পুরুষ ৬২ জন ও নারী ১৯ জন। ৮১ জনের মধ্যে মক্কায় ৬১ জন, মদিনায় ১৩ জন, জেদ্দা ২ ও মিনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৬
খবর > প্রবাস ৩০০ বার কফি না খেলে বন্ধুত্ব নয়! ফাতেমা-তুজ-জোহরা, স্টকহোম সুইডেন থেকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম Published: 2016-10-06 17:45:39.0 BdST Updated: 2016-10-06 18:42:43.0 BdST Previous Next বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে সুইডেন ধনী রাষ্ট্র ও দাতা দেশ হিসেবে পরিচিত। নারী পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় ইউরোপের দেশ সুইডেন অনন্য। তবে রাজনীতি-অর্থনীতির ভারী বিষয়-আশয়ের বাইরেও সুইডেনকে বর্ণনা করার মতো আরো কিছু বিষয় আছে। আজ সে গল্পটাই বলবো।
শুরুতেই বলবো ‘ফিকা’র কথা। ফিকা বিষয়টি একেবারেই সুইডেনের নিজস্ব সংস্কৃতি। শব্দটির কোন অনুবাদ নেই। ফিকা হলো কফির দোকানে বসে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের আড্ডা।
কফি ছাড়াও সেই আড্ডার সঙ্গী হয় দারুচিনি ও এলাচের তৈরি এক ধরনের বিশেষ মশলার প্রলেপ দেওয়া রুটি যার নাম ক্যানিয়েল বুল্লার। লাঞ্চ ব্রেকের আগে ও পরে এই সময়টা এদের চা-ই চাই। সব দিন হয় তো হয়ে ওঠে না, কিন্ত সম্ভব হলেই এরা সুযোগটা নেয়। সুইডিশরা গড়ে প্রত্যেকে বছরে মোটামুটি একশ পঞ্চাশ লিটার কফি পান করেন।
বলা হয়, কারো সঙ্গে তিন শতাধিক 'ফিকা'র পরে এরা বন্ধুত্ব করে। তার আগে নয়। কথাটা হয়তো সুইডিশদের অন্তর্মুখী স্বভাবের কারণে বলা হয়। হ্যাঁ, এরা ভীষণ রকম অন্তর্মুখী। তবে অপরিচিতের সঙ্গে। রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে চোখে চোখ পড়লেই মিষ্টি হেসে হাই-হ্যালো করবে, এবং ওখানেই শেষ। এর বেশি কিচ্ছু না! কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্ক এদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর বন্ধুর আড্ডায় এরা অনেক প্রাণবন্ত।
বলা হয়, কারো সঙ্গে তিন শতাধিক 'ফিকা'র পরে এরা বন্ধুত্ব করে। তার আগে নয়। কথাটা হয়তো সুইডিশদের অন্তর্মুখী স্বভাবের কারণে বলা হয়। হ্যাঁ, এরা ভীষণ রকম অন্তর্মুখী। তবে অপরিচিতের সঙ্গে। রাস্তাঘাটে চলতে ফিরতে চোখে চোখ পড়লেই মিষ্টি হেসে হাই-হ্যালো করবে, এবং ওখানেই শেষ। এর বেশি কিচ্ছু না! কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্ক এদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর বন্ধুর আড্ডায় এরা অনেক প্রাণবন্ত।

আচরণের সঙ্গে এরা সময়কেও নিয়ন্ত্রণ করে কঠিন হাতে। সুইডেনের সময় পাঁচটা মানে পাঁচটাই, এর বেশি মোটেও না। সময় মেনে চলে বলেই, সময় শেষ হবার পরে এক মুহূর্তও তারা কাজ করে না। বরং অফিস শেষে ফিকা তাদের জন্য সেসময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে মনে হতে পারে এরা খুবই আরামপ্রিয়, কিন্তু আসল বিষয় হলো কোন কাজেই এরা অহেতুক টেনশন করে না।
নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুইডেন অনন্য। এক বছর মাতৃকালীন ছুটি ছাড়াও কমপক্ষে ৯০ দিন বাধ্যতামূলক পিতৃকালীন ছুটি দেওয়া হয়। সন্তানের সঙ্গে পিতার বন্ধন জোরালো করা এবং মা'কে বিশ্রাম দিতেই এই ব্যবস্থা।

শেষ করবো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে! আপনি যদি কোন সুইডিশ পরিবারে বেড়াতে যান, সদর দরজায় অবশ্যই জুতা খুলবেন। জুতা পরে ঘরে ঢোকা ভয়ানক অফেন্স হিসেবে দেখা হয়। এর পেছনে দুটো কারন থাকতে পারে। প্রথমটি খুবই যৌক্তিক, যেহেতু এখানে বরফ পড়ে তাই জুতার সঙ্গে পানি ও ময়লা এসে ঘর নোংরা করে দিতে পারে। আর দ্বিতীয় কারনটি হলো, ঘরকে এরা পবিত্র মনে করে। জুতা খুলে ঘরে ঢুকলে শুধু ঘরকেই না ঘরের মালিকের প্রতিও সম্মান দেখানো হলো বলে মনে করা হয়।
লেখক: প্রবাসী ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট
ছবি কৃতজ্ঞতা: মাসুদ উর রশীদ
চট্টগ্রামে মাদকাসক্ত স্বামীকে খুনের পর থানায় উপস্থিত হয়ে ধরা দিয়েছেন এক নারী।
মঙ্গলবার রাতে সীতাকুণ্ডের মাদামবিবির হাটের বাসায় স্বামীকে খুনের একদিন পর বুধবার রাতে খোদেজা বেগম (৩০) নামের ওই নারী থানায় হাজির হন।
খোদেজার স্বামী মো. জাহাঙ্গীরের (৪৫) লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে সীতাকুণ্ড থানার এসআই রেহানা আক্তার জানিয়েছেন।
ফেনী জেলার দাগনভুঁইয়ার দক্ষিণ ভবানিপুর এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর ছিলেন ট্রাক-লরির চালক। স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন মাদামবিরি হাট এলাকায় ভাড়া বাসায়। সেখানেই খুন তিনি।
এসআই রেহানা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রাতে খোদেজা থানায় এসে বলেন- ‘আমি আমার স্বামীকে খুন করেছি, আমাকে গ্রেপ্তার করুন’।
“মঙ্গলবার রাতে শিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে জাহাঙ্গীরকে খুন করার কথা জানান খোদেজা। বুধবার রাতে স্বামীর লাশ ঘরে তালা দিয়ে রেখে থানায় আসেন।”
খোদেজার বরাত দিয়ে এসআই রেহানা বলেন, “খোদেজার দাবি জাহাঙ্গীর নেশাগ্রস্ত ছিলেন। নিয়মিত বাসায় ফিরে খোদেজাকে মারধর করতেন। নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি স্বামীকে খুন করেছেন।”
প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা
ফরিদপুর প্রতিনিধি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-10-06 16:20:14.0 BdST Updated: 2016-10-06 16:22:42.0 BdST
প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না পেয়ে এবার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টার অভিযোগে দুই ছাত্রকে দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার ভাঙ্গায় সরকারি কে এম কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান।
দণ্ডিতরা হলেন ওই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ও একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
কলেজের অধ্যক্ষ মোশায়েদ হোসেন ঢালি বলেন, বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসের ভেতরে মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার এক সহপাঠী। মেয়েটি তা প্রত্যাখ্যান করলে তার আরেক বন্ধুকে নিয়ে মেয়েটির ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায়।
“মেয়েটি দৌড়ে পালানোর সময় কলেজের অন্য শিক্ষার্থীরা এবং শিক্ষকরা গিয়ে ওই দুই ছাত্রকে আটক ও মেয়েটিকে উদ্ধার করে।”
ওসি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রের কাছে থেকে একটি অত্যাধুনিক ছুরি ও মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।
“পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে দুইজনকেই এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
এ ঘটনায় দুইজনকেই কলেজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ।
মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬
সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলায় আহত কলেজছাত্রী খাদিজা চরম সঙ্কটে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-10-04 17:33:54.0 BdST
Updated: 2016-10-04 21:01:28.0 BdST
-
হাসপাতালে খাদিজা বেগম
সিলেটে ছাত্রলীগের এক নেতার হামলায় আহত কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে ঢাকায় আনার পর অস্ত্রোপচার করা হলেও তার বেঁচে থাকার বিষয়ে আশাবাদী হতে পারছেন না চিকিৎসকরা।
<a
href='http://revive.bdnews24.com/www/delivery/ck.php?n=aa0edbd2&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://revive.bdnews24.com/www/delivery/avw.php?zoneid=188&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=aa0edbd2'
border='0' alt='' /></a>
“সে যে অবস্থায় রয়েছে, এ অবস্থায় তার লাইফ স্টে করার সম্ভাবনা ৫ থেকে ১০
পারসেন্ট,” বলছেন স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রেজাউস সাত্তার।
মঙ্গলবার বিকালে এই কলেজছাত্রীর অস্ত্রোপচারের পর সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় একথা বলেন এই নিউরোসার্জন।
অস্ত্রোপচার চলার মধ্যে স্কয়ার হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “তার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। মাথার খুলি ভেদ করে ব্রেইনে ইনজুরি হয়েছে।”
একদিন আগে সিলেট এমসি কলেজে চাপাতির মতো ধারাল অস্ত্রের আঘাতের শিকার হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তাকে কুপিয়ে আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম।
বদরুলকে সোমবার ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আসামি করে সিলেটের শাহ পরাণ থানায় মামলা করেছেন খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে বদরুলকে।
বদরুলের শাস্তি দাবিতে মঙ্গলবার সিলেটে মানববন্ধন-সমাবেশ করেছেন
খাদিজার সহপাঠিরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ঢাকায় এক
অনুষ্ঠানে বলেছেন, অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় পাবে না।
সোমবার বিকালে হামলার পর খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে মধ্যরাতে তাকে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিকালে অস্ত্রোপচার করা হয় ওই হাসপাতালটির নিউরোসার্জারি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. রেজাউস সাত্তারের অধীনে। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (ইলেকট্রিক ভেন্টিলেশন) দেওয়া হচ্ছে।
তার অবস্থার উত্তরণ ঘটবে কি না- তা নিশ্চিত হতে ৭২ ঘণ্টা নিবিড়
পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়ে ডা. সাত্তার বলেন, “ক্রিটিক্যাল হেড ইনজুরি
নিয়ে সে এসেছিল। ৭২ ঘণ্টা পর তার নিউরোলজিক্যাল স্ট্যাটাস অ্যাসেস করা হবে।
অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টা পর আমরা বুঝতে পারব, তাকে বাঁচাতে পারলাম কি না। এই সময়টা
সে ঘুমে থাকবে।”
পরিস্থিতির উন্নতি দেখলে তার হাতেরসহ অন্যান্য জখমের জন্য ‘অর্থোপেডিক’ চিকিৎসা দেওয়া হবে বলে জানান নিউরোসার্জন সাত্তার।
হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন জানান, হামলার সময় খাদিজা হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করায় তার হাতেও গভীর ক্ষত হয়।
“তার কন্ডিশন খুবই খারাপ...বাঁচার আশা খুবই ক্ষীণ। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি,” অস্ত্রোপচারের আগে বলেছিলেন তিনি।
সোমবার বিকাল ৫টার দিকে এমসি কলেজ কেন্দ্রে স্নাতক পরীক্ষা শেষে
বের হন খাদিজা। এর পরপরই বদরুল তাকে ছুরিকাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের
ভাষ্য।
এরপর পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বদরুলকে আটক করে বলে শাহ পরাণ থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি সাংবাদিকদের জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বদরুল এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
শাহজালালের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বদরুল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সুনাইঘাতি গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
মঙ্গলবার বিকালে এই কলেজছাত্রীর অস্ত্রোপচারের পর সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় একথা বলেন এই নিউরোসার্জন।
অস্ত্রোপচার চলার মধ্যে স্কয়ার হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “তার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। মাথার খুলি ভেদ করে ব্রেইনে ইনজুরি হয়েছে।”
একদিন আগে সিলেট এমসি কলেজে চাপাতির মতো ধারাল অস্ত্রের আঘাতের শিকার হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তাকে কুপিয়ে আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম।
বদরুলকে সোমবার ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আসামি করে সিলেটের শাহ পরাণ থানায় মামলা করেছেন খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে বদরুলকে।
মানববন্ধনে খাদিজা বেগমের সহপাঠীরা
গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম
সোমবার বিকালে হামলার পর খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে মধ্যরাতে তাকে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিকালে অস্ত্রোপচার করা হয় ওই হাসপাতালটির নিউরোসার্জারি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. রেজাউস সাত্তারের অধীনে। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (ইলেকট্রিক ভেন্টিলেশন) দেওয়া হচ্ছে।
স্কয়ার হাসপাতাল
পরিস্থিতির উন্নতি দেখলে তার হাতেরসহ অন্যান্য জখমের জন্য ‘অর্থোপেডিক’ চিকিৎসা দেওয়া হবে বলে জানান নিউরোসার্জন সাত্তার।
হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন জানান, হামলার সময় খাদিজা হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করায় তার হাতেও গভীর ক্ষত হয়।
“তার কন্ডিশন খুবই খারাপ...বাঁচার আশা খুবই ক্ষীণ। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি,” অস্ত্রোপচারের আগে বলেছিলেন তিনি।
ফেইসবুকে ছাড়িয়ে পড়েছে হামলার ভিডিও
এরপর পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বদরুলকে আটক করে বলে শাহ পরাণ থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি সাংবাদিকদের জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বদরুল এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
শাহজালালের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বদরুল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সুনাইঘাতি গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০১৬
১০ লাখ টাকার শপিং, আমলার স্ত্রীকে নোটিশ আয়কর দফতরের

শপিং করে বিপাকে পড়েছেন ভারতের এক আইএএস অফিসারের স্ত্রী। ১০ লাখ টাকার শপিং করায় মধ্যপ্রদেশের আইএএস অফিসারের স্ত্রীকে নোটিশ পাঠিয়েছে আয়কর দফতর।
এদিকে, আইএএস অফিসারের দাবি, ‘কম্পালসিভ বাইং ডিসঅর্ডার’ নামক মানসিক সমস্যায় ভোগার কারণেই হুটহাট শপিং করে ফেলেন তার স্ত্রী। আর এ কারণে মাঝে মাঝে বিপাকেও পড়তে হয়।
অনলাইনে যারা শপিং করেন, তাদের নজরে রাখার জন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার রয়েছে আয়কর দফতরের। কোনো ব্যক্তির অনলাইন শপিংয়ের বহর দেখে তারা বুঝে নিতে পারে সেই ব্যক্তির আনুমানিক আয় কত হতে পারে। তারপর সেই টাকার পরিমাণ তার ট্যাক্স রিটার্নের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, অনলাইনে শপিং করেছিলেন ওই অফিসারের স্ত্রী। বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে অর্থের পরিমাণ মেলানোর পরই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বিডি-প্রতিদিন/ ০২ অক্টোবর, ২০১৬/ আফরোজ
টয়লেট এমন একটি জায়গা যেখানে গোপনীয়তা অপরিহার্য। আর সেই টয়লেট যদি জনসম্মুখে হয় তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু চিন্তা করুণতো এমন একটি পাবলিক টয়লেটের কথা যার বাইরে থেকে ভেতরের সব কিছু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। কি ভিমড়ি খেলেন! নিজেকে একটু সামলে নিন। এমন ঘটনা সত্যি ঘটেছে চীনে।
প্রায়-স্বচ্ছ কাচের তৈরি পাবলিক টয়লেট চালু করা হয়েছে চীনে হুনান প্রদেশে এক পর্যটনকেন্দ্রে। এই টয়লেট সম্পূর্ন কাঁচের তৈরি আর সেই কাঁচ এতটাই স্বচ্ছ যেখানে 'টয়লেট ব্যবহার-রতদের' বাইরে থেকে দেখা যাবে এবং টয়লেটের ভেতরে বসে চার পাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও উপভোগ করা যাবে।
এসব টয়লেটে যেখানে মেয়েদের ও পুরুষদের টয়লেট পাশাপাশি আছে। এই দুই টয়লেটের মাঝখানে ব্যবধান রয়েছে। তবে যা খুব বড় কিছু তা কিন্তু নয়। ব্যবধান বলতে আছে দুই টয়লেটের মাঝে হালকা-অস্বচ্ছ কাচের দেয়াল।
হুনান প্রদেশে শিয়ান লেক পর্যটনকেন্দ্রে গড়ে তোলা হয়েছে এই কাচের পাবলিক টয়লেট। এর আগে চীনে কাচের তৈরি সেতু, ওয়াকওয়ে ইত্যাদি জনপ্রিয়তা পাবার পরই বোধহয় তাদের মাথায় এই অভিনব আইডিয়াটি এসেছে। তবে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে খবর বেরিয়েছে যে খুব কম লোকই কাচের টয়লেট ব্যবহার করার 'সাহস দেখিয়েছেন'।
এই কাঁচের টয়লেট চীনে নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, তারা কিছুতেই এমন টয়লেটে যেতে পারবেন না। অন্য অনেকে বলছেন, যখন আপনার সত্যি টয়লেট দরকার হবে, তখন আপনার পক্ষে সবকিছুই মেনে নেয়া সম্ভব হবে। যত যাই বলুন না কেন, এই কথাটি কিন্তু মিথ্যে নয়।
বিডি-প্রতিদিন/২ অক্টোবর, ২০১৬/তাফসীর
অবৈধভাবে গ্র্যান্ড স্টান্ডে ঢুকেছিল মেহেদি

আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মাঠে ঢুকে পড়া দর্শক মেহেদি রবিবার রাতে মুচলেকা দিয়ে থানা থেকে ছাড়া পেয়েছে। ১০০ টাকা দিয়ে পূর্ব গ্যালারির টিকেট কেটে সে ঢুকেছিল গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে। আর বিসিবির লজিস্টিকস কমিটির একজনই তাকে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে এনেছিলেন অবৈধভাবে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।
শনিবার শেষ ওয়ানডেতে আফগানিস্তান ইনিংসের ২৯তম ওভারে আচমকা মাঠে ঢুকে মাশরাফিকে জড়িয়ে ধরেন ওই দর্শক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে মাঠ থেকে বাইরে নিয়ে যায়। পরে জানা গেছে, তার নাম মেহেদি হাসান। একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মেহেদি মাশরাফির ফ্যান।
এদিকে খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি ওই ভক্তের কোন ক্ষতি যাতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন।
বিসিবির নিরাপত্তা উপদেষ্টা হোসেন ইমাম বলেছেন, ''১০০ টাকার টিকিট নিয়ে অবৈধভাবে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে ঢুকেছিল ছেলেটি। আমাদেরই একজন তাকে নিয়ে এসেছিল এখানে। আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি সে মাশরাফির ক্রেজি ফ্যান। আমরা মামলা করার কথা ভাবছি। আর বিসিবি'র ওই সদস্যকে ধরতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। তবে তার ফোন বন্ধ। বাসায় পুলিশ গিয়েছিল পাওয়া যায়নি।''
তবে বিসিবি'র ওই সদস্যের নাম জানাননি হোসেন ইমাম। সূত্র: বিডিনিউজ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)
বাংলাদেশ টু ভারত
আমাদের দেশের মন্ত্রিগণ কথায় কথায় ভারতের সাথে আমাদের দেশ কে কেনো তুলনা করেন । তাদের দেশ কোথায় আর আমাদের দেশ কোথায় ? আমাদের দেশের রাজস্ব কো...
-
চৌগাছায় আবারো পিকনিকের বাস দূর্ঘটনা। নিহতের সংখ্যা আনুমানিক ২৫-৩০ জন। তবে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। পুরো চৌগাছায় শোকের মাতম। মাত্র ৩...
-
গরিববান্ধব ১০ টাকা কেজির চাল এখন নেতাদের ঘরে ঘরে মিলছে। নানা কৌশলে চালের কার্ড হাতিয়ে তাদের অনেকেই এই লুটপাটে মেতেছেন। অভিযোগের পর অভিযোগ...



