সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলায় আহত কলেজছাত্রী খাদিজা চরম সঙ্কটে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-10-04 17:33:54.0 BdST
Updated: 2016-10-04 21:01:28.0 BdST
-
হাসপাতালে খাদিজা বেগম
সিলেটে ছাত্রলীগের এক নেতার হামলায় আহত কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে ঢাকায় আনার পর অস্ত্রোপচার করা হলেও তার বেঁচে থাকার বিষয়ে আশাবাদী হতে পারছেন না চিকিৎসকরা।
<a
href='http://revive.bdnews24.com/www/delivery/ck.php?n=aa0edbd2&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://revive.bdnews24.com/www/delivery/avw.php?zoneid=188&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=aa0edbd2'
border='0' alt='' /></a>
“সে যে অবস্থায় রয়েছে, এ অবস্থায় তার লাইফ স্টে করার সম্ভাবনা ৫ থেকে ১০
পারসেন্ট,” বলছেন স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রেজাউস সাত্তার।
মঙ্গলবার বিকালে এই কলেজছাত্রীর অস্ত্রোপচারের পর সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় একথা বলেন এই নিউরোসার্জন।
অস্ত্রোপচার চলার মধ্যে স্কয়ার হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “তার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। মাথার খুলি ভেদ করে ব্রেইনে ইনজুরি হয়েছে।”
একদিন আগে সিলেট এমসি কলেজে চাপাতির মতো ধারাল অস্ত্রের আঘাতের শিকার হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তাকে কুপিয়ে আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম।
বদরুলকে সোমবার ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আসামি করে সিলেটের শাহ পরাণ থানায় মামলা করেছেন খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে বদরুলকে।
বদরুলের শাস্তি দাবিতে মঙ্গলবার সিলেটে মানববন্ধন-সমাবেশ করেছেন
খাদিজার সহপাঠিরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ঢাকায় এক
অনুষ্ঠানে বলেছেন, অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় পাবে না।
সোমবার বিকালে হামলার পর খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে মধ্যরাতে তাকে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিকালে অস্ত্রোপচার করা হয় ওই হাসপাতালটির নিউরোসার্জারি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. রেজাউস সাত্তারের অধীনে। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (ইলেকট্রিক ভেন্টিলেশন) দেওয়া হচ্ছে।
তার অবস্থার উত্তরণ ঘটবে কি না- তা নিশ্চিত হতে ৭২ ঘণ্টা নিবিড়
পর্যবেক্ষণে রাখার কথা জানিয়ে ডা. সাত্তার বলেন, “ক্রিটিক্যাল হেড ইনজুরি
নিয়ে সে এসেছিল। ৭২ ঘণ্টা পর তার নিউরোলজিক্যাল স্ট্যাটাস অ্যাসেস করা হবে।
অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টা পর আমরা বুঝতে পারব, তাকে বাঁচাতে পারলাম কি না। এই সময়টা
সে ঘুমে থাকবে।”
পরিস্থিতির উন্নতি দেখলে তার হাতেরসহ অন্যান্য জখমের জন্য ‘অর্থোপেডিক’ চিকিৎসা দেওয়া হবে বলে জানান নিউরোসার্জন সাত্তার।
হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন জানান, হামলার সময় খাদিজা হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করায় তার হাতেও গভীর ক্ষত হয়।
“তার কন্ডিশন খুবই খারাপ...বাঁচার আশা খুবই ক্ষীণ। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি,” অস্ত্রোপচারের আগে বলেছিলেন তিনি।
সোমবার বিকাল ৫টার দিকে এমসি কলেজ কেন্দ্রে স্নাতক পরীক্ষা শেষে
বের হন খাদিজা। এর পরপরই বদরুল তাকে ছুরিকাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের
ভাষ্য।
এরপর পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বদরুলকে আটক করে বলে শাহ পরাণ থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি সাংবাদিকদের জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বদরুল এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
শাহজালালের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বদরুল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সুনাইঘাতি গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
মঙ্গলবার বিকালে এই কলেজছাত্রীর অস্ত্রোপচারের পর সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় একথা বলেন এই নিউরোসার্জন।
অস্ত্রোপচার চলার মধ্যে স্কয়ার হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “তার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। মাথার খুলি ভেদ করে ব্রেইনে ইনজুরি হয়েছে।”
একদিন আগে সিলেট এমসি কলেজে চাপাতির মতো ধারাল অস্ত্রের আঘাতের শিকার হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তাকে কুপিয়ে আহত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম।
বদরুলকে সোমবার ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আসামি করে সিলেটের শাহ পরাণ থানায় মামলা করেছেন খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে বদরুলকে।
মানববন্ধনে খাদিজা বেগমের সহপাঠীরা
গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম
সোমবার বিকালে হামলার পর খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে মধ্যরাতে তাকে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিকালে অস্ত্রোপচার করা হয় ওই হাসপাতালটির নিউরোসার্জারি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. রেজাউস সাত্তারের অধীনে। অস্ত্রোপচার শেষে তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস (ইলেকট্রিক ভেন্টিলেশন) দেওয়া হচ্ছে।
স্কয়ার হাসপাতাল
পরিস্থিতির উন্নতি দেখলে তার হাতেরসহ অন্যান্য জখমের জন্য ‘অর্থোপেডিক’ চিকিৎসা দেওয়া হবে বলে জানান নিউরোসার্জন সাত্তার।
হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন জানান, হামলার সময় খাদিজা হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করায় তার হাতেও গভীর ক্ষত হয়।
“তার কন্ডিশন খুবই খারাপ...বাঁচার আশা খুবই ক্ষীণ। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি,” অস্ত্রোপচারের আগে বলেছিলেন তিনি।
ফেইসবুকে ছাড়িয়ে পড়েছে হামলার ভিডিও
এরপর পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বদরুলকে আটক করে বলে শাহ পরাণ থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি সাংবাদিকদের জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বদরুল এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।
শাহজালালের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বদরুল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সুনাইঘাতি গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন